Page

Showing posts with label স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্য. Show all posts

Sunday, September 25, 2016

অবাক হয়ে যাবেন ! যে মুরগি দেখতে কালো; ডিম-মাংস ও কালো, দাম ৩ লাখ টাকা (ভিডিওসহ)

অবাক হয়ে যাবেন ! যে মুরগি দেখতে কালো; ডিম-মাংস ও কালো, দাম ৩ লাখ টাকা (ভিডিওসহ)অবাক হয়ে যাবেন ! যে মুরগি দেখতে কালো; ডিম-মাংস ও কালো, দাম ৩ লাখ টাকা (ভিডিওসহ)
kj


Download this video Here



Read more ...

Saturday, September 24, 2016

নারীর শরীরের যে ৬ টি অংশে হাত দিতে নেই




১. মুখ :মুখ ধোওয়া বা ত্বক চর্চার সময় মুখে হাত ছোঁওয়াতেই হবে। কিন্তু বাদবাকি অন্য সময়ে নিজের হাত দু’টিকে নিজের মুখ থেকে দূরেই রাখুন। কারণ সারাদিনের কাজের প্রয়োজনে বিভিন্ন জায়গায় আমাদের হাত ছোঁওয়াতেই হয়। সেই‌ সুবাদে হাতে লেগে যায় বিভিন্ন রকমের জীবাণু।
মুখে হাত দিলে সেগুলো সঞ্চারিত হয় মুখেও। তাছাড়া আমাদের আঙুলের ডগাটি হয় তৈলাক্ত। মুখে হাত ছোঁওয়ালে সেই তেল মুখের ত্বকে লেগে যায়। এই জীবাণু এবং তৈলাক্ত উপাদান— দু’টিই মুখে ব্রণ, ফুসকুড়ি ইত্যাদির কারণ হয়।

২ . নিতম্ব: শৌচকার্যের সময়ে বা স্নানের সময়ে নিতম্ব স্পর্শ করতেই হয়। কিন্তু অন্য কারণে নিতম্বে, বিশেষত পায়ু্দ্বারে হাত না দেওয়াই ভাল। ডাক্তাররা বলছেন, মলদ্বারে কিছু জীবাণু তো থাকেই, সেই জীবাণুগুলি প্রায়শই ছড়িয়ে যায় নিতম্বের অন্যান্য অংশেও। কাজেই অপ্রয়োজনে নিতম্বে হাত দেওয়ার অর্থ— ওই সব জীবাণুকে শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে যেতে সাহায্য করা।

৩ . চোখ: কনট্যাক্ট লেন্স পরার সময়ে চোখে হাত লেগে যেতে পারে ঠিকই, কিন্তু চোখ চুলকানো বা চোখ পরিষ্কারের জন্য চোখে হাত দেওয়া একেবারেই অনুচিৎ। কারণ এই উপায়ে হাতের জীবাণুগুলি চোখে সঞ্চারিত হওয়ার সুযোগ পায়। চোখ ধোওয়ার সময়েও জলের ঝাপটা দিন চোখে, সরাসরি চোখে হাত দেবেন না।

৪ . ঠোঁট এবং মুখের ভিতরের অংশ: ডাক্তারি সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, মানবশরীর যে সব বীজাণুর দ্বারা আক্রান্ত হয় তার ১/৩ অংশই হাত থেকে মুখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। কাজেই মুখে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকাই ভাল।

৫ . নাকের ভিতরে: নাকে আঙুল দেওয়াটা সামাজিকভাবে যেমন অশোভন তেমনই অস্বাস্থ্যকরও। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, স্টাফাইলোকোকাস অরিয়াস নামের ব্যাক্টেরিয়ায় যাঁরা আক্রান্ত হন তাঁদের ৫১ শতাংশেরই নাকের ভিতর আঙুল দেওয়ার অভ্যাস থাকে।

৬ . নখের ভিতরের অংশ: স্বাভাবিকভাবে নখের ভিতরের অংশ স্পর্শ করার কোনও কারণ নেই। কিন্তু নখ পরিষ্কার করার সময় নখের ভিতরের অংশ স্পর্শ করার সম্ভাবনা থাকে। সেই সময় আঙুল ব্যবহার করার পরিবর্তে নরম ব্রাশ ব্যবহার করুন। এতে নখের ভিতর যে বীজাণু এবং মৃত কোষগুলি থাকে তা শরীরের অন্য অংশে সঞ্চারিত হওয়ার সুযোগ পাবে না।
Download this video Here



Read more ...

আপনি যদি পুরুষ হয়ে থাকেন,,তাহলে এই ভিডিও একবার হলেও দেখবেন প্লিজ

Read more ...

যে ৫টি ‘নিষিদ্ধ’ কাজ বাঙালি গৃহবধূরা রাতে করে থাকেন (ভিডিওসহ)



নিষিদ্ধ’ মানে এক্ষেত্রে অপরাধমূলক আজেবাজে কিছু নয়। সেইসব কাজ ‘নিষিদ্ধ’ যা বাঙালি গৃহবধূরা সারাদিন করার সুযোগই পান না। কেবল রাত্রেই করা চলে এইসব কাজ। কাজেই দিনের অন্য সময়ে এই কাজগুলি ‘নিষিদ্ধ’। কিন্তু কোন কাজ সেগুলি? আসুন, জেনে নিই

১. বরের কাছে ঘ্যানঘ্যান:
বর সারাদিন অফিসের বাইরে থাকেন। কাজের ফাঁকে কথাই বলা হয় না সারাদিন। রাত্রিবেলা খেয়েদেয়ে ওঠার পর বেডরুমের দরজা বন্ধ হওয়া মাত্রই স্বামীকে একেবারে নিজের করে পাওয়া যায়। না, এই একান্ত নিভৃত সময়টি বাঙালি গৃহবধূরা প্রথমেই প্রেমে গদগদ হয়ে স্বামীলগ্না হন না। বরং এই সময় হল সারাদিনের পুঞ্জিত ক্ষোভ আর অভিযোগ স্বামীর কাছে উগরে দেওয়ার সময়— ‘‘জানো, তোমার মা আজ কি বিশ্রীভাবে কথা বললেন আমার সঙ্গে…’’, ‘‘জানো, মালতী আবার মাইনে বাড়ানোর কথা বলছিল, এবার অন্য কাজের মেয়ে দেখতেই হবে…’’, ‘‘জানো, পাশের বাড়ির সুমিতার নিজের ছেলেকে নিয়ে এত দেমাগ যে ওকে আমাদের বিট্টুর সঙ্গে মিশতেই দেয় না…’’ ইত্যাদি ইত্যাদি।
২. ফেসবুকে পরকীয়া:
অবশ্য একে বিশুদ্ধ অর্থে ‘পরকীয়া’ বলা যায় কি না সে বিষয়ে দ্বন্দ্ব থাকতেই পারে। তবে এক্ষেত্রে মূলত স্বামী ব্যতীত অন্য পুরুষের সঙ্গে ফেসবুকে চ্যাট করার দিকেই ইঙ্গিত করা হচ্ছে। তবে সেই চ্যাটের কথাবার্তায় নানাবিধ ইঙ্গিত, প্রস্তাব, আহ্বান ইত্যাদি থাকেই।
৩. অল্পবিস্তর মদ্যপান:
স্বামীর সঙ্গে বেডরুমের বন্ধ দরজার ওপার মানেই এক স্বতন্ত্র জগৎ। সেখানে বাঙালি গৃহবধূর অন্য রূপ। স্বামীটি অফিস থেকে ফিরে হয়তো ডিনারের আগে দু’পাত্তর মদ্যপান করেন। বাঙালি গৃহবধূ তাতে আপত্তি জানান না। বরং স্বামী যদি তাঁর সঙ্গে পানাহারে যোগদানের জন্য সপ্রেম আহ্বান জানান তাহলে সলজ্জ হাসি হেসে অনেক বাঙালিনীই গেলাস তুলে নেন হাতে। তবে হ্যাঁ, পানের মাত্রা কখনই বাড়াবাড়ি পর্যায়ে পৌঁছয় না।
৪. নিজের জন্য সময় কাটানো:
সারাদিন হাজারো কাজ— রান্নাবান্না, ঘর গোছানো, ছেলেকে পড়ানো, সিরিয়াল দেখা। তারপর এই রাত্রিবেলায় যে অবকাশটুকু পাওয়া যায়, সেটুকু সময় বিবাহিত বাঙালিনীরা একটু নিজের দিকে নজর দেন। কেউ হয়তো একটু গান নিয়ে বসলেন, কেউ ওল্টালেন বইয়ের পাতা, কেউ বা আয়নার সামনে বসে একটু রূপচর্চা নিয়ে ব্যস্ত হলেন। আর যেসব বাঙালিনী একটু‌ সৃষ্টিশীল, তাঁরা হয়তো এই অবকাশে গোপন ঘুপচি থেকে বের করে আনলেন কবিতার খাতা, লিখলেন দু’চার ছত্র। স্বামীটির যদি রাতবিরেতেও ল্যাপটপ খুলে অফিসের কাজ সারার বদভ্যাস থাকে তাহলে তো নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর আরও প্রশস্ত সময় পান গৃহবধূরা।
৫. স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখা:
হাজারটা স্বপ্ন নিয়েই এই মানুষটির সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন একদিন। সব স্বপ্ন পূরণ হয়নি, কিন্তু তাবলে সেগুলো মরে যায়নি এখনও। বরং একসঙ্গে পথ চলতে চলতে জন্ম নিয়েছে আরও বেশ কিছু স্বপ্ন— নিজেদে‌র একটা ফ্ল্যাট, শ্বশুর-শাশুড়ি কি বাবা-মার একটু ঠিকঠাক চিকিৎসা, কিংবা সন্তানকে একটা ভাল স্কুলে ভর্তি করানোর স্বপ্ন। সেইসব স্বপ্ন একসঙ্গেই দু’জনকে পূ‌রণ করতে হবে। কাজেই বাঙালি গৃহবধূ রাত্রে স্বামীর পাশে শুয়ে সেই স্বপ্নগুলোকে বাস্তবায়িত করার আলোচনা করবেন না তো আর কখন করবেন? তাই রাত্রি হল বিবাহিত বাঙালিনীদের কাছে স্বামীর সঙ্গে একযোগে স্বপ্ন দেখার সময়।
Download this video Here



Read more ...

ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ন্ত্রণ সময়ের দাবি



অবশেষে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ন্ত্রণে আইন করতে যাচ্ছে সরকার। বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবসের এক অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা জানিয়েছেন। একই অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক বলেছেন, আগামী বছরের মার্চ মাস নাগাদ দুটি সড়ককে ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হবে। এসব শুনে একটি কথাই মনে হচ্ছে: এতক্ষণে অরিন্দম কহিলা বিষাদে।
যে কাজটি আরও অন্তত ১০ বছর আগে শুরু করা উচিত ছিল, সেটি আমরা এখন শুরু করতে যাচ্ছি। তবু ভালো, শেষমেশ আমাদের বোধোদয় হচ্ছে। যদি আমরা এটা বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে খুবই ভালো। এত কিছু বলার কারণ হচ্ছে, একটি নগরের যোগাযোগব্যবস্থা যেখানে গণপরিবহনকেন্দ্রিক হওয়া উচিত, সেখানে আমাদের ঢাকার যোগাযোগব্যবস্থা একরকম ব্যক্তিগত পরিবহনকেন্দ্রিক। হ্যাঁ, এটা ঠিক আমাদের মধ্যবিত্তের আর্থিক সংগতি হয়েছে, তাঁরা এখন ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করতে পারছেন। কিন্তু সেটা এ রকম লাগামহীন হয়ে গেলে কী হয়, তা আমরা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি।
সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল এতটা বেড়ে গেছে যে ঢাকা নগরের রাস্তার প্রায় ৭০ শতাংশ দখল করে রাখছে ব্যক্তিগত গাড়ি। অথচ তাতে জায়গা হচ্ছে খুব কম মানুষের, বড়জোর ১০ শতাংশের। আর বাকি ৯০ জন মানুষের জন্য থাকছে মাত্র ৩০ শতাংশ জায়গা। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে প্রচণ্ড ট্র্যাফিক জ্যাম। এই জ্যামের কারণে পরিবহন ব্যবসায়ীরা রাস্তায় বাস নামিয়ে কাঙ্ক্ষিত মুনাফা করতে পারছেন না। তাঁরা রাস্তা থেকে গাড়ি তুলে নিচ্ছেন। গত কয়েক বছরে ঢাকায় অনেক রুটের বাসসেবা বন্ধ গেছে। এতে একদিকে সৃষ্টি হচ্ছে গণপরিবহনের সংকট, অন্যদিকে সেই সংকট কাটাতে যাঁদের সংগতি আছে, তাঁরা গাড়ি কিনছেন। ফলাফল হচ্ছে, সড়কে যানজট আরও বাড়ছে। এ প্রবণতা দিনকে দিন বাড়ছে। অন্যদিকে, ব্যক্তিগত গাড়ি গ্যাসে চলার সুযোগ দেওয়ার কারণেও গাড়ির সংখ্যা বেড়ে গেছে।
দুনিয়ার অনেক দেশেই ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারের ওপর নানা বিধিনিষেধ রয়েছে। এমনকি রাস্তায় গাড়ি নামালে করও দিতে হয়। এটা গণপরিবহনে উৎসাহিত করার একটা কৌশল। কিন্তু অত্যধিক যানজটের কারণে যে রাস্তা ১৫ থেকে ২০ মিনিটে পাড়ি দেওয়া যায়, ঢাকায় সে রাস্তা পাড়ি দিতে লাগছে ন্যূনতম এক ঘণ্টা। তবে যাঁরা ব্যক্তিগত গাড়িতে চলাচল করেন, তাঁদের কিন্তু সময় তেমন একটা কম লাগে না, তাঁরা শুধু গাড়িতে আরামে থাকেন। পরিস্থিতি এমনই দাঁড়িয়েছে। এতে মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। থমকে যাচ্ছে প্রবৃদ্ধির চাকা, বাড়ছে ব্যবসার খরচ। এ নিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বহুবার আপত্তি জানিয়েছেন, কিন্তু কেউ এত দিন তাতে কর্ণপাত করেনি।
তবে সরকার যদি এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে চায়, তাহলে গণপরিবহন-ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। অন্য কথায়, এতে শৃঙ্খলা আনতে হবে। সব রুটেই ভালো বাস দিতে হবে। মেট্রোরেল হচ্ছে, তার সঙ্গে চক্ররেল-সেবা চালু করা যেতে পারে। এসব করা গেলে অনেকে হয়তো স্বেচ্ছায় ব্যক্তিগত গাড়ি ছেড়ে গণপরিবহনে চলাচল করবেন। কারণ, অল্প খরচে ঝামেলাহীনভাবে যাতায়াত করা গেলে ব্যক্তিগত গাড়ির তো প্রয়োজন হবে না। আবার গণপরিবহনের জন্য র‍্যাপিড ট্রানজিটের ব্যবস্থা করা যায়। এটা করা গেলে আরও ভালো। এতে গণপরিবহন আলাদা লেনে বিরামহীনভাবে চলতে পারবে। ফলে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই গণপরিবহনে যাতায়াত করার কথা ভাববে।
ঢাকার সড়কের যে অবস্থা দাঁড়িয়েছে, তাতে গণপরিবহন-ব্যবস্থা উন্নত করা গেলে মানুষ এই গাড়ি নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারটা মানতে হয়তো আপত্তি করবে না। তবে এটা যথাযথভাবে করতে হবে। আইন সবার বেলাতেই প্রযোজ্য।
Read more ...